ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে নাটকীয় শেষ ওভারে কী ছিল মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পরিকল্পনা? ধোনির ছকেই কি শেষ পর্যন্ত প্রায় অসাধ্য সাধন করে

বিশ্বকাপে টিকে রইল ভারত? মুস্তাফিজুর রহমানকে কি শেষ ওভারে কিঞ্চিৎ স্লেজিং করেছিল ভারত? শোনা যাচ্ছে, শেষ বল করার আগে নন-স্ট্রাইকিং এন্ডে দাঁড়িয়ে থাকা মুস্তাফিজুর রহমানের সামনে গিয়ে হার্দিক পাণ্ড্য বলেন, ‘‘ক্রিজ ছেড়ে বেরোলেই আউট করে দেব।’’ লক্ষ্যণীয়ভাবে, শেষ বলে ডান হাতে গ্লাভস ছাড়া কিপ করেন ধোনি। তা থেকে এটা পরিষ্কার যে, রান আউট করার পরিকল্পনা ছিলই।
মুস্তাফিজুর ডেঞ্জার এন্ডে পৌঁছতে পারেননি। কিন্তু এই মোক্ষম শেষ বলের নেপথ্যে পুরো পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এনেছেন স্বয়ং ধোনি। তিনি জানিয়েছেন, শেষ বলটি শর্ট অফ লেংথ করতে বলেছিলেন হার্দিককে। ধোনির কথায়, ‘‘বোলারের উপর নির্ভর করে এ সব ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেটাই আমরা এতক্ষণ ধরে আলোচনা করছিলাম। একটি বিষয়ে নিশ্চিত ছিলাম, হার্দিককে দিয়ে ইয়র্কার করাব না। কিন্তু শর্ট অফ লেংথ মানে ঠিক কতটা শর্ট, সেটাই আমাদের আলোচনার বিষয় ছিল।’’ ঠিক কী আলোচনা হয়েছিল, তা সবিস্তারে না-বললেও, ধোনি বলেছেন, ‘‘লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানের পক্ষে শর্ট অফ লেংথ হল সবথেকে কঠিন বল।
আমাদের পরিকল্পনা খেটে গিয়েছে। ২০ ওভারে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করলেও আমার ফাইন হবে না, সেটা জানতাম।’’ কিন্তু প্রথম দু’ওভারে ২০ রান দেওয়ার পরেও কেন হার্দিককেই অতি গুরুত্বপূর্ণ শেষ ওভারে বেছে নেওয়া হল? এটা কি ঝুঁকি নয়? ধোনির জবাব, ‘‘সহজ সিদ্ধান্ত। ব্যাটসম্যানরা তখন সহজেই রান তুলছিল। আমাকে একটা ওভার করাতেই হত। হয় কোনও স্পিনার বা হার্দিক পাণ্ড্য। আমার কাছে সবথেকে জরুরি ছিল ম্যাচ জেতা। সেই সময়ে আমি বলেছিলাম, ১৯তম ওভারে একজন প্রকৃত বোলারকে চাই। দেখা যাক, ওই ওভারে কত ওঠে। সেইমতো শেষ ওভার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। কেননা, শেষ ওভারে অনেকগুলি বিকল্প আমার সামনে ছিল। যুবরাজ, রায়না, হার্দিক।
Post a Comment